সকাল নারায়ণগঞ্জঃ
সমর্থকদের আবেগ, দোয়া ও উচ্ছ্বাসে মুখর নারায়ণগঞ্জ-৫
“সম্মান দিয়েছেন আল্লাহ”—এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালামকে ঘিরে কৃতজ্ঞতার জোয়ার
নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম-কে ঘিরে তার সমর্থক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরল আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই অর্জনকে রাজনৈতিক সাফল্যের চেয়েও বড় করে দেখছেন আধ্যাত্মিক আশীর্বাদ হিসেবে। বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল, শুভেচ্ছা সমাবেশ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতার বার্তায় ভরে গেছে সমর্থকদের টাইমলাইন।
সমর্থকদের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে একটিই কথা—“আজকের এই দিনের সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ পাকের। সম্মান দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।” তাদের বিশ্বাস, নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও প্রতিকূলতার মধ্যেও আল্লাহর অশেষ রহমতে তাদের প্রিয় নেতা সম্মানিত হয়েছেন এবং রাজনৈতিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত অবস্থানে রয়েছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে কিছু মহল তার সম্মান ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করলেও তিনি ধৈর্য, সহনশীলতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে সব পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। সমর্থকদের ভাষায়, “নেতা কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেননি। তিনি সবসময় বলেছেন—মানুষের বিচার মানুষ করতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত বিচার আল্লাহর হাতে।”
তারা আরও বলেন, অতীতে যারা দলীয় নেতৃত্ব ও আদর্শের সঙ্গে বেইমানি করেছে এবং রাজনৈতিক বিভাজন তৈরির চেষ্টা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে এমপি আবুল কালামের ব্যক্তিগত কোনো অভিযোগ নেই। বরং তিনি সবসময় ঐক্যের কথা বলেছেন। সমর্থকদের মতে, এই উদার মানসিকতাই তাকে আলাদা মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সমর্থকরা স্মরণ করেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার। তারা বলেন, “এই পরিবার গণতন্ত্রের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছে। সেই আদর্শ বুকে নিয়েই আবুল কালাম সাহেব রাজনীতি করেন।” তাদের দাবি, নেতার প্রতি জনগণের আস্থা ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়—এটি একটি রাজনৈতিক বিশ্বাসের প্রতিফলন।
এলাকার বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক স্থানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। তরুণ কর্মীরা শোভাযাত্রা করে শুভেচ্ছা জানান। প্রবীণ সমর্থকরা বলেন, “এটা শুধু একজন নেতার সম্মান নয়, পুরো এলাকার সম্মান।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একজন নেতাকে ঘিরে এ ধরনের আবেগী জনসমর্থন তার দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক ভিত্তির প্রতিফলন। তারা মনে করেন, স্থানীয় রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং দলীয় ঐক্য বজায় রাখতে আবুল কালামের ভূমিকা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সমর্থকদের প্রত্যাশা—তিনি আগামীতেও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উন্নয়ন, শান্তি ও জনগণের অধিকার রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। তাদের ভাষায়, “নেতা মানুষের পাশে থাকেন, তাই মানুষও নেতার পাশে আছে।”