সকাল নারায়ণগঞ্জঃ
সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বিপুল ভোটে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক দুলাল হোসেন।
ফলাফল ঘোষণার পর দেয়া এক বিস্তারিত অভিনন্দন বার্তায় দুলাল হোসেন মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে এই বিজয়কে “গণতন্ত্রকামী জনতার ঐতিহাসিক বিজয়” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ রায় জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের স্বীকৃতি।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,
“আলহামদুলিল্লাহ, সমস্ত প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামিনের। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের সঠিক অভিভাবককে বেছে নিয়েছেন। অ্যাডভোকেট আবুল কালাম কেবল একজন নেতা নন, তিনি এই জনপদের মাটি ও মানুষের পরীক্ষিত বন্ধু। সুখে-দুঃখে তিনি সবসময় মানুষের পাশে থেকেছেন। ধানের শীষের এই বিজয় প্রমাণ করে জনগণ অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে এবং উন্নয়ন, শান্তি ও গণতন্ত্রের পক্ষে রায় দিয়েছে। এই বিজয় আমাদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ, আন্দোলন ও সংগ্রামের ফসল।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রতীক পাওয়ার পর থেকে তিনি ও তার সহকর্মীরা সততা, নিষ্ঠা এবং দলীয় আদর্শকে সামনে রেখে কাজ করেছেন। জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করার সময় যে সাড়া পাওয়া গেছে, ফলাফল তারই প্রতিফলন। তিনি বিশ্বাস করেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে নতুন গতি আসবে।
দুলাল হোসেন বলেন, এই বিজয় ব্যক্তি বা দলের একার নয়—এটি সাধারণ মানুষের বিজয়। যারা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে নির্বাচনী মাঠে কাজ করেছেন, ভোটারদের কেন্দ্রে এনেছেন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
বিবৃতিতে তিনি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সফল রাজনৈতিক জীবনের কামনা করেন। পাশাপাশি নির্বাচনে অক্লান্ত পরিশ্রম করা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নমুখী রাজনীতির ধারা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
শেষে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে—তবেই এই বিজয়ের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা পাবে।