৩ দফা দাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে সমাবেশ ও শহরে বিক্ষোভ মিছিল

  • সকাল নারায়ণগঞ্জ

 

 

ভুলে ভরা নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক বাতিল করে নতুন বই সরবরাহ করাসহ ৩ দফা দাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে সমাবেশ ও শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ জানুয়ারী) বিকাল সারে তিনটায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ ও সমাবেশ পরবর্তী শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি মুন্নী সরদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক সংহতি ঘোষ রমা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ রাতুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জেলার কোষাধক্ষ্য চিত্রা ঘোষ পরমা, স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবির হোসেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক হৃদয় হোসেন প্রমুখ।

 

নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতি বছর ১লা জানুুয়ারি আমাদের দেশের শাসক শ্রেণী ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘটা করে বই উৎসব করে। যা এবারও পূর্ণরাবৃত্তি করলেও পর্যাপ্ত পরিমান বই বিতরণ করতে ব্যর্থ স্বৈরাচারী শাসক সরকার, তবে ভুলে ভরা নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করেছে এবার। আই,এম,এফের শর্ত পূরনের জন্য সরকার শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতকে ধ্বংস হওয়ার যা যা আয়োজন তা বাস্তবায়ন করছে। এমনিতে বর্তমানে শিক্ষার ৭১% খরচ পরিবার বহন করছে, তাতে হিমশিম খাচ্ছে পড়ার খরচ জোগাতে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের শিক্ষার অবস্থা ভয়াভহ রূপ নিবে।

 

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, একদিকে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ-সাম্প্রদায়িকীকরণে ছাত্ররা আজ জরাজীর্ণ ও শিক্ষা থেকে ঝড়ে পরছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয় আমাদের দেশের শিক্ষা খাতে। পাশ্ববর্তী দেশ ভঙ্গুর শ্রীলংকার থেকেও পিছিয়ে আছে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ফি বাবদ যা আদায় করেন, তার থেকেও ৯গুন ফি আদায় করেন বেসরকারি-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে। এভাবে সরকার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী শিক্ষাটাকে বাণিজ্যিকরণ-বেসরকারিকরণ করার পায়তারা করছে। জিনিসপত্রের দাম কমানো সাথে সাথে খাতা, কাগজ, কলমসহ সকল শিক্ষা উপকরণের দাম কমানোর দাবিও রাখেন নেতারা।

 

নেতৃবৃন্দ নতুন বছরে ভুলে ভরা নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক বাতিল করে নতুন বই সরবরাহ করার জোর দাবি জানান এবং শিক্ষাক্রম ২০২০ বাতিলের দাবি রাখেন।