মেট্রোহল ট্রাফিক পুলিশের অফিসের সামনের চায়ের দুকানগুলোতে চলছে অবাধে মাদক ব্যবসা

সকাল নারায়ণগঞ্জ

 

নারায়ণগঞ্জের খানপুর এলাকায় অবস্থিত কুমুদিনী উচ্ছেদ করার হলেও মাদক ব্যবসায়ীরা এখন জায়গা করে নিয়েছে মেট্রোহল ট্রাফিক পুলিশের অফিসের সামনে চায়ের দোকানগুলোর অন্তরালে।

 

সরেজমিনে দেখা যায় ট্রাফিক পুলিশের অফিসের সামনে চায়ের দুকানগুলোর অন্তরালে দেখা যায় মাদক ব্যবসায়ীদের ইয়াবা,হেরোইন ও গাজা বিক্রি করতে।রাত হলেই এখানে চায়ের দুকানগুলো বন্ধ হয়ে গেলে লেগুনা রেখে স্ট্যান্ড বানিয়ে চলে জমজমাট মাদক ব্যবসা।

 

মাদক বিক্রেতারা নিম্নশ্রেণির হলেও তাদের আশ্রয়দাতার তালিকায় রয়েছে মাদকের গডফাদারদের নাম। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে খুচরা মাদক বিক্রেতারা গ্রেফতার হলেও অন্তরালে থাকা গডফাদাররাই তাদের জামিনের ব্যবস্থা করে।

 

কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতের সঙ্গেও মাদকের পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিমত বিশিষ্টজনদের। তারা বলছেন, সুলভে মাদক দিয়েই উঠতি কিশোরদের গ্যাংয়ে ভিড়ানো হয়। একসময় মাদকের অর্থ জোগাতে সেইসব কিশোরেরা হয়ে উঠে মাদক ব্যবসায়ী। ব্যবসা ও আধিপত্য বজায় রাখতে সংঘাতেও জড়িয়ে পরতে দেখা যায় তাদের।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের এবং খানপুর হাসপাতালে যাওয়া আসা রোগীর স্বজনদের দাবী গভীর রাত হলেই এখান দিয়ে চলাচল করা অনিরাপদ হয়ে যায়।মাদকের টাকা জোগাড় করার জন্য এইখানে কিছু যুবক রাত হলেই ছিনতাই করার জন্য নেমে পড়েন। এতে সাধারন জনগন রাত হলেই এই জায়গা দিয়ে চলাচল করতে অসুবিধা হয়। তাদের একটাই প্রশ্ন ট্রাফিক পুলিশের মত একটা সরকারি অফিসের সামনে কিভাবে চলছে এই মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের মত ঘটনা? পুলিশ, র‍্যাব,ডিবি যাতে অতিদ্রুত এই সকল মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীদের উপর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করেন।