নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ডে মহানগর আওয়ামীলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকাল নারায়ণগঞ্জঃ

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ডে মহানগর আওয়ামীলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ওয়ার্ডের আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য ও নাসিক ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আবু হাসনাত শহিদ মো. বাদল।
ভিপি বাদল নাসিক মেয়র আইভীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, একজন মানুষ খালি থাকতে চায়। মধুই খাইতে চায়। মধু খাওয়া তার শেষ নাই।  সিটি করপোরেশনে কি এমন মধু বার বার থাকতে চান। জেলা আওয়ামীলীগের প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারী চোখে দেখেন না। আমরা তো কিছুই চাই না।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পর শামীম ওসমান টার্গেট। এই জন্যই নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় ১৬ জুন বোমা হামলা হয়েছিল। শামীম ওসমানকে হত্যার জন্য। এই জন্য ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল আমাদের নেত্রীকে হত্যা করার জন্য। ওই তারেক জিয়ার নির্দেশে বঙ্গবন্ধুর কণ্যাকে চিরতরে মেরে ফেলার জন্য ওই চক্রান্ত ছিল। আমরা তারেক জিয়ার বিচার চাই। জনতার আদালতে নিয়ে এসে এই তারেক জিয়ার বিচার করতে হবে। আমাদের বয়স হয়ে গেছে। এখন নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব আসবে। নেতৃত্ব দিবে অয়ন ওসমান।
শাহ নিজাম বলেন, এতো উন্নয়নের বুলি ছাড়েন নারায়ণগঞ্জে একটি ভালো মানের হাসপাতাল কিংবা কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় নেই কেন? কি করেছেন নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য, শুধু ট্যাক্সের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছেন।
চন্দন শীল বলেন, ১৯৭৫ সালে যেমনিভাবে সবাই আওয়ামীলীগার হয়ে গিয়েছিলো, খুনী মোস্তাকও সেইদিন বঙ্গবন্ধুর পায়ে ধরেছিলেন বাকশালের সদস্য হওয়ার জন্য। তেমনিভাবে আজ আবারও সবাই আওয়ামীলীগার হয়ে গেছেন। অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি। এই মাত্র শুনলাম, আমাদের মেয়র, আমাদের নেতা তিনি নাকি ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেন না। আরে আমরা কি কিছু চাওয়া-পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি নাকি?
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিবেন, সে যেই হোক আমরা নেত্রীর নির্দেশ মতো কাজ করবো। শুধু বেঈমানী করবেন না।
আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর  আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শাহ নিজাম,  সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, এড. মাহমুদা মালা, দপ্তর সম্পাদক এড. বিদ্যুৎ,মহানগর  যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভুইয়া সাজনু, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, মহানগর কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল হোসেন প্রমুখ।