২০ কেজি গাঁজা ও ১০ ক্যান বিয়ারসহ আটক তিন

সকাল নারায়ণগঞ্জঃ

স্টাফ রিপোর্টার (আশিক)

নারায়ণগঞ্জ ডিবি কর্তৃক ২০ কেজি গাঁজা ও ১০ ক্যান বিয়ারসহ আটক তিন।

মোছাঃ রুনা আক্তার। নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানা এলাকায় বাড়ি। ব্যবসায়িক সুবিধার্থে থাকেন নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন মধ্য সস্তাপুর এলাকায়। তবে ব্যবসা করেন মাদকের। 

গোপন সংবাদ ছিল নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশের নিকট। অত্যন্ত কৌশলী ব্যবসায়ী তিনি। চোখ কান খোলা রেখে ব্যবসা করেন। বাসার আশপাশে পুলিশ বা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোন সদস্য এলে খবর পৌঁছে যায় তার নিকট।

 নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, পিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশ থাকবেনা কোন মাদক ব্যবসায়ী। সে অনুযায়ী ডিবির চৌকস টিম চোখ রাখে রুনার গতিবিধির। সুযোগ খুঁজে তাঁকে মাদকসহ আটকের। 

ডিবির নিকট তথ্য আসে রুনার বাসায় এসেছে বড় মাদকের চালান। সাথে আছে মাদক কারবারির সাথে জড়িত আরো দুজন। ২৬ জুলাই, ২০২০ তারিখ রাত তখন ১১টা। কৌশলে ছদ্দবেশে ডিবির চৌকস টিম ঘিরে ফেলে রুনার ফ্লাট। উপস্থিত লোকজনের সম্মূখে খুলতে বলা হয় প্রধান দরজা। কিন্তু আসামিরা ততক্ষণে বুঝতে পেরেছে পড়তে হবে ধরা পুলিশের নিকট। কিন্তু শেষ চেষ্টা করতে কালবিলম্ব করতে থাকে। কিন্তু সকল চেষ্টা ব্যর্থ করে ডিবি পুলিশ তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়। 

বাসায় থরে থরে সাজানো ২০ (বিশ) কেজি গাঁজা ও ১০ (দশ) ক্যান বিয়ার পাওয়া যায় তাদের দখল থেকে। আটক করা হয় ১। রুনা আক্তার (৩০), ২। সোহেল রানা (২৮) ও ইসলাম (৩০) দেরকে। 

পুলিশের চৌকস টিমের নেতৃত্ব দেন ডিবি পশ্চিম বিভাগের ইন্সপেক্টর জনাব এসএম আলমগীর হোসেন। এসআই খোকন চন্দ্র সরকার, এসআই মনিরুজ্জামান সহ সংগীয় ফোর্স ছিলেন সহযোগীতায়। 

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তথ্যসমূহ যাচাই করে নেয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

আসামিদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় রুজু হয়েছে সংশ্লিষ্ট আইন ও ধারা অনুযায়ী মামলা। বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে জেলখানায়। 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের ঘোষণা ”হয় মাদক ব্যবসা ছাড়ো, নাহয় জেলখানায় থাকো”। এ নির্দেশনায় কাজ করে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। মাদকমুক্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা গড়তে আপনিও থাকুন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পাশে।