বন্দরে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য হবে খান বাড়ির মোড়ে- খান মাসুদ

সকাল নারায়ণগঞ্জঃ

স্টাফ রিপোর্টার (আশিক)

বন্দরে আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি করে তাদের চেয়ে বিএনপির লোকেরা অনেক ভাল অবস্থানে আছে। তারা কিন্তু ব্যবসা বানিজ্য করে ভাল অবস্থানে আছে টাকা পয়সা কামাইতাছে।

তবে বন্দরে সব জায়গায়ই একই অবস্থানে আছে। বিএনপির লোক এখন আগের চেয়ে অনেক সক্রিয় হয়ে উঠেছে। হেফাজত আর জামাত তারা কিন্তু বিএনপির নির্দেশে এসব করতেছে। 


মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে বন্দরে শহিদ সোহরাওয়ার্দী ক্লাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যােগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা খান মাসুদ এসব কথা বলেন। 


খান মাসুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে হাত দিয়েছে মানে আমাদের কলিজার ভিতরে হাত দিছে। এবং মসজিদের ভিতরেসহ ইমাম সাহেবরা মুসল্লিদের শপথ করায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার। কোথায় কি হলো দেখার বিষয় না আমাদের বন্দর কি হলো এটা দেখতে হবে সবার আগে।

এছাড়াও বঙ্গবন্ধুকে ভেঙে ফেলছে আবার তারা হুংকার দেয় কোথাও ভাস্কর্য হতে দিবে না। আবার মসজিদে ইমাম সাহেবরা মুসল্লিদের শপথ করায়। যেসব এলাকায় মসজিদ কমিটি আছে ভেঙে নতুন করে করতে হবে। সেই সাথে ঐ সব ইমামদের চাকরি থেকে না করে দিতে হবে। 


তিনি আরও বলেন, বন্দরে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য হবে খান বাড়ির মোড়ে। সরকার এবং যদি সিটি কপোরেশন না করে তাহলে আমাদের টাকায় আমরা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য করবো এবং করতে হবে। আমরা কারো আশায় থাকবো না।

কারণ এখানে মৌলবাদীরা এবং বিএনপির লোকেরা অনেক শক্তিশালী হয়ে গেছে। তারা আমাদের চেয়েও অনেক ভাল আছে। সারা বাংলাদেশে বিএনপির কি অবস্থা আছে তা জানি না তবে বন্দরে তারা অনেক ভাল আছে। বন্দরে সেন্টাল ঘাট চালায় বিএনপির লোকেরা। 

বিএনপির প্রোগ্রামে গুলোতেও তাদের দেখা যায়। নদীর ওপার কি মহাজোটের কোন নেতাকর্মী নাই। এ বিষয়টি আপনাদের দেখতে হবে।

 
বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ রশিদের সভাপতিত্বে প্রস্তুতিমূলক সভায় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সস্পাদক হুমায়ূণ মৃর্ধা, নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুউদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু, ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, বন্দর থানা যুবলীগ নেতা মাসুম আহমেদ, ডালিম হায়দার।


এছাড়াও প্রস্তুতিমূলক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন জালু, কাজী শহিদ, আওয়ামীলীগ নেতা শাহ আলম, শহিদুল হাসান মৃর্ধা, সারজাহান মোল্লা, বন্দর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান আরিফ, বন্দর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলী হোসেন।