ত্রান নিয়ে আমার অসহায় জনগণের সাথে প্রতারণা করায়ই আমি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে দাঁড়িয়েছি-খান মাসুদ

সকাল নারায়ণগঞ্জঃ

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে ২২ নং ওয়ার্ড তরুণ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও যুবলীগ নেতা খান মাসুদ বলেছেন, আমার কখনোই ইচ্ছে ছিলনা নির্বাচন করার। কিন্তু যখন দেখলাম করোনাকালীন সময় আমাদের কাউন্সিলর সরকারের দেয়া ত্রান সামগ্রী গরীব দুঃখীদের মাঝে বিতরণ না করে অল্প কিছু ত্রান তার শুভাকাঙ্ক্ষী আত্বীয় স্বজনদের মাঝে বিলি করে বাকি সিংহভাগ ত্রান তিনি আত্মসাৎ করেছেন। ঐসময়ের সাধারণ মানুষ তার কাছে কোন ধরনের নাগরিক সুবিধা পায়নি। তিনি জনগনকে তাদের হক সঠিকভাবে বণ্টন না করে সরকারি ও সিটি করপোরেশনের দেয়া ত্রান সামগ্রী নিয়ে আমার অসহায় জনগণের সাথে প্রতারণা করায়ই এবার আমি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে দাঁড়িয়েছি। 


রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) বাদ আছর ২২ নং ওয়ার্ডস্থ লেজারার্স আবাসিক এলাকায় নারী ভোটারদের সাথে আয়োজিত উঠান বৈঠক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 


খান মাসুদ বলেন, সদ্য বিদায়ী কাউন্সিলেরের অনিয়মের কথা বলে শেষ করা যাবেনা। তার উপরে এক রূপ আর ভিতিরে আরেক রূপ। তিনি ডিপকল বসানো রোড পারমিট বাবদ মানুষের কাছে অতিরিক্ত অর্থ নিয়েছে। শিশু খাদ্য বিতরণে করেছেন স্বজনপ্রীতি এবং জন্মনিবন্ধনে অনিয়মসহ এই ওয়ার্ডের জনগণের সাথে যত ধরনের অপরাধ করেছে ভোটের মাধ্যমে এবার তার জবাব দিবে জনগণ।


খান মাসুদ আরও বলেন, আমি আপনাদের কারো সন্তান,কারো ভাইয়ের মতো আপনারা একটি বারের জন্য আমাকে সুযোগ দেন কথা দিচ্ছি সামাজিক অবক্ষয় রোধসহ জনগণের হক সঠিকভাবে বিতরণ করবো। আর জন্মনিবন্ধনে সরকারি ফি এর চেয়ে এক টাকাও বেশি নিবনা। এবং যদি কেউ সরকারি ফি এর টাকা দিতে না পারে তাদের জন্য আমার পকেটের টাকা দিয়ে করে দিব।আপনাদের এলাকার সন্তান হিসেবে আমি ৫ বছরের জন্য আপনাদের গোলামী করার সুযোগ চাই। 


সারোয়ার খানের সভাপতিত্বে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগ নেতা মোঃ লিটন খান,লেজারার্স আবাসিক এলাকা মসজিদ কমিটির সদস্য,নূর ইসলাম, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ চান বাদশা,সানজিদা খানম স্বপ্না,আমানা খাতুন,গোলসান আরা,জুবায়ের খান,আসিফ,সহ স্থানীয় নারী ভোটারগণ।