সাহসী পুলিশ অফিসারের মধ্যে অন্যতম এসআই মিজানুর রহমান

এসআই মিজানুর রহমান
এসআই মিজানুর রহমান ( ছবি সংগ্রহীত )

সকাল নারায়ণগঞ্জঃ নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাহসী পুলিশ অফিসাররা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তবে এসব সাহসী পুলিশ অফিসারের মধ্যে অন্যতম এসআই মিজানুর রহমান। তিনি আইনের সেবা করতে গিয়ে কখনোই অপরাধীদের সাথে আপোষ করেননি। যে কারনে তার সাফল্যের পাল্লা দিনে দিনে ভারি হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বেশ কয়েকটি সাহসী অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের কাছে আতংক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন বলে নারায়ণগঞ্জবাসী মনে করছেন। ইতোপূর্বে তিনি নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় কয়েকবার আহতও হয়েছিলেন। তারপরও তিনি দমেননি। পুলিশের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে ও জনগণের সেবা করার ব্রত সঠিকভাবে পালন করার কারনেই তিনি অনেক সাফল্য লাভ করেছেন।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান পুলিশে চাকরি জীবনে সবসময়ই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিলেন। পুলিশে চাকরি জীবনে তিনি র‌্যাব-৩ ও ডিবিতে চাকরি করাকালে সফলতার ফল হিসেবে বিভিন্ন সময়ে পুরুস্কৃতও হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। পুলিশ বিভাগে তারমত সাহসী অফিসাররা যদি নিজেদের যোগ্যতা রাখতে পারেন তাহলে অচিরেই দেশের অপরাধ কর্মকান্ড অনেকটা নিয়ন্ত্রনে আসবে বলে সচেতনমহল মনে করছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সফল অফিসার এসআই মিজানুর রহমানের সাম্প্রতিক কয়েকটি সাফল্যের চিত্র তুলে ধরা হলঃ

বন্দরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন সালুকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ পাল্টা জবাব দিলে একজন গুলিবৃদ্ধ হয়। গত২১ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বাঘবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অস্ত্র তৈরির একটি কারখানা আবিস্কার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে পিতা-পুত্রসহ তিনজনকে। উদ্ধার করা হয়েছে ৭ পয়েন্ট ৬৫ বোরের একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি। এছাড়া অর্ধতৈরী একটি ম্যাগজিনও উদ্ধার করা হয়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জে সাইলো গেট এলাকাতে ওই অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতরকৃতরা হলো আলী আকবর লাভলু সরকার (৫৩), তার ছেলে কামরুজ্জামান নওশাদ সরকার (২৯) ও মৃত আবদুস সালামের ছেলে মজিবর রহমান (৩৮)।

গত ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে পুরান বন্দর চৌধুরীবাড়ি এলাকা থেকে মহিলা মাদক ব্যবসায়ী শিরিনা বেগমকে আটক করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুরে পুরান বন্দর চৌধুরীবাড়ি এলাকায় মাদক উদ্ধারের অভিযান চালায়। অভিযানকালে ৩৯ পিস ইয়াবাসহ একই এলাকার সেলিম উদ্দিন মিয়ার স্ত্রী মহিলা মাদক ব্যবসায়ী শিরিনা বেগম (৪০) কে আটক করে ।

তাছাড়া এসআই মিজানুর রহমান নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইয়াবা চালানও আটক হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এসআই মিজানুর রহমানের এধরনের সাফল্যের নেপথ্যে কি তা জানার জন্য তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। আর অপরাধীরা জনগণের ও রাষ্ট্রের শত্রু। রাষ্ট্র ও জনগণের এসব শত্রুদের থেকে রক্ষা করতেই পুলিশে চাকরি নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশ পালন করার জন্য সবসময় প্রস্তুত রয়েছেন।