জাতির জনকে জন্মশতবার্ষিকীতে পলাশের উদ্যোগে ১১৭ বার কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

জাতির জনকে জন্মশতবার্ষিকীতে পলাশের উদ্যোগে ১১৭ বার কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল (ছবি সকাল নারায়ানগঞ্জ)
জাতির জনকে জন্মশতবার্ষিকীতে পলাশের উদ্যোগে ১১৭ বার কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল (ছবি সকাল নারায়ানগঞ্জ)

সকাল নারায়ণগঞ্জঃ

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে অনেকেই গান-বাজনাসহ নানা ধরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছি এই জন্য যে, বঙ্গবন্ধু মুসলমান এবং পাক্কা মুসলমান ছিলেন। ধর্মের প্রতি তার এতটাই অনুভূতি ছিল প্রখর যে, তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন, টঙ্গিতে ইস্তেমার জায়গাটি বঙ্গবন্ধু নিজে বরাদ্দ দিয়েছেন, কাকরাইল মসজিদের জায়গাটিও তিনি বরাদ্দ দিয়েছেন এবং মসজিদটি তিনি স্থাপন করেন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরের দিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে আলীগঞ্জ লেবার হলে জাতীয় শ্রমিক লীগ আঞ্চলিক শাখার ব্যানারে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণপূর্ব বক্তব্যে  জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহম্মেদ পলাশ একথা বলেন।

জাতির জনকে জন্মশতবার্ষিকীতে পলাশের উদ্যোগে ১১৭ বার কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল (ছবি সকাল নারায়ানগঞ্জ)
জাতির জনকে জন্মশতবার্ষিকীতে পলাশের উদ্যোগে ১১৭ বার কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল (ছবি সকাল নারায়ানগঞ্জ)

কাউসার আহমেদ পলাশ বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন মুসলমান এবং মুসলমানের সন্তান। তার জন্মদিনে আপনারা ১১৭ বার কোরআন খতম দিয়েছেন এ জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এটাই হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত এবং তার পরিবারের কল্যাণে সঠিক কাজ।

তিনি আরও বলেন, আমরা এই কোরআন খতমের মাধ্য সারা দেশের মধ্যে একটা মেসেজ দিতে চাই, সেটি হল বঙ্গবন্ধুর জন্য যে সমস্ত গান-বাজনার আয়োজন করা হচ্ছে সেটা আসলে গুরুত্বপূর্ণ না বরং লস। আমার যে কোরআন তেলওয়াত করলাম সেটাই আল্লাহর কাছে লেখা হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্য স্বার্থকতা হবে। এবং এটার বরকতে এই করোনাভাইরাসও উচ্ছেদ হবে এই কোরআন খতমের মাধ্যমে, ইনশাল্লাহ।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের জন্য আমরা দোয়া চাইবো আল্লাহর কাছে। এছাড়াও আমরা সারা দেশের উন্নয়ণযাত্রা অব্যাহত যাতে থাকে সে জন্য এবং সারা বিশ্বের মধ্যে যে বালামসিবত শুরু হয়েছে এর থেকে, করোনাভাইরাস থেকে যাতে আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করেন।

এদিকে জাতির জনকের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১০০ পাউন্ড কেক কাটার কথা থাকলেও স্কুল কলেজসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার কারণে সেটি স্থগিত করা হয়।